স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চায় রিপন

 

মোঃ ইমরান মাহমুদ :
একটু সহানুভূতিই পারে রিপনকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। জামালপুরে মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের ছবিলাপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে।
পঞ্চম শ্রেণি পড়–য়া রিপন হঠাৎ করে তার একটি মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় হাতটি ভেঙ্গে যায়। প্রায় ছয় মাস ময়মনসিংহ ও জামালপুর চিকিৎসা করালেও কোনো লাভ হয়নি। ক্রমশ ব্যথা বৃদ্ধি পেতে থাকে। অসুস্থতার কারণে সে আর স্কুলেও যেতে পারে না।
এদিকে ছেলের অসুস্থতায় পিতার চিন্তার শেষ নেই। চিকিৎসকরা জানান, অপারেশন করলে তার হাত স্বাভাবিক হবে, অপারেশন করাতে অনেক টাকা লাগবে। রিপনের পিতা দিশেহারা হয়ে গেছেন। এত টাকা কোথায় পাবেন সে। টাকা যোগাড় করতে না পেরে অসহায়ের মতো ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। বর্তমানে রিপনের অবস্থা খুবই করুণ। অসহ্য ব্যথায় দিনাতিপাত করছে রিপন। নিজের হাত দিয়ে খেতেও পারছে না রিপন।
জামালপুরে মেরান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের ছবিলাপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে মোঃ রিপন (১১)। সে স্থানীয় ছবিলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র।
তার পিতা পেশায় একজন দিনমজুর। তিনি অন্যের বাড়ি, খেতখামারে কাজ করেন। তিনিই সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী। যে কয়টাকা পায় এই সামান্য টাকায় স্ত্রী, ছেলে রিপনসহ তিন মেয়ে ও চার ছেলে নিয়ে কোনো রকমে সংসার চালান। জায়গা-জমি ও অন্যান্য সম্পদ বলতে তার মাথা গোজার ঠাঁই বাড়ি টুকু ছাড়া আর কিছুই নেই। রিপনকে নিয়ে তার পিতার চোখে মুখে অনেক স্বপ্ন।
ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলবেন। পিতার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে ভর্তি হন স্থানীয় ঐ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
এদিকে ছেলের এ অবস্থায় মজনু মিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এ পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন সমাজের দানশীল ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে ছেলেটিকে বাঁচানো সম্ভব। মেধাবী এই ছাত্রকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে চাইলে উল্লেখিত তার পিতার বিকাশ- ০১৩০০-৬২৫৬৭৯ (পার্সোনাল) নম্বরে সাহায্য পাঠানো যাবে। অথবা সরাসরি ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের ছবিলাপুর গ্রামের এসে সাহায্য করতে পারেন।

Check Also

স্বামীকে বাঁচাতে মুখ দিয়ে অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা, ভাইরাল ছবি

সম্প্রতি ভারতের আগরার একটি ছবি চোখে পানি এনে দিয়েছে। স্ত্রীর সব চেষ্টা ব্যর্থ করে স্বামীর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *