এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আরো ২ জন গ্রেপ্তার

সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া এ দু’জন হলেন-মাহবুবুর রহমান রনি এবং রবিউল ইসলাম। এর মধ্যে রনিকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে এবং রবিউলকে নবীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে আলোচিত এ ধর্ষণ মামলার ৯ আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার হলো।

এ মামলায় গ্রেপ্তার অপর দুইজন হলেন প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্কর।

রোববার সকাল ৮টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা সীমান্ত এলাকা থেকে জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করেছে সিলেট জেলা পুলিশ।

গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুজন।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলা ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)।

তাদের মধ্যে তারেক ও অর্জুন শিক্ষার্থী না হলেও সবাই এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা এবং সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট রনজিত সরকারের অনুসারী বলে জানা গেছে।

Check Also

শিবচরে বাল্কহেড ও স্পিডবোট সংঘর্ষ, ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার

মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে বালুবোঝাই বাল্কহেড ও স্পিডবোটের সংঘর্ষে ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *