সোনালী স্বপ্নের প্রত্যয় নিয়ে আমিনের প্রচারণা

আলিফ হোসেন,তানোর
রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ৫ বারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও প্যানেল মেয়র আমির হোসেন আমিন মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে সোনালী স্বপ্নের প্রত্যয় নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন।আমিনের
প্রচারণায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নব দিগন্তের সুচনা হয়েছে। অপরদিকে আমিন ছাড়াও মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে মাঠে নেমেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ সাজেমান আলী, প্রচার সম্পাদক আহসানুল হক স্বপন ও কাউন্সিলর নাহিদ হাসান। এদের মধ্যে প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন আমিন। তবে আওয়ামী লীগ এবার মনোনয়ন নয় গুরুত্ব দিচ্ছেন সাংগঠনিক কর্মকান্ড জোরদার করায়। যদিও  সবকিছু নির্ভর করছে স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার ওপর। কারণ মুন্ডুমালা পৌরসভা নির্বাচনে জয়-পরাজয় এই দুই রাজনৈতিক রথী-মহারথীর ওপর অনেকটা নির্ভর করছে, তারা যাকে সমর্থন করবেন তিনিই বিজয়ী হবেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয়রা জানান,মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আমির হোসেন আমিনকে “পৌর পিতা” হিসেবে দেখতে চাই পৌর-সেবা থেকে বঞ্চিত, নিপিড়ীত, লাঞ্চিত, উপেক্ষিত ও অবহেলিত জনপদের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। আমিন হোসেন (তৎকালীন) বাঁধাইড় ইউনিয়ন পরিষদ ইউপির বৃহতম ওয়ার্ড পর পর দুই বার ইউপি সদস্য ও মুণ্ডুমালা পৌরসভায় বৃহৎতম ওয়ার্ড থেকে পর পর   তিন বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং প্যানেল মেয়র অর্থাৎ তিনি একটানা প্রায় ২৫ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে সততা ও  ন্যায়-নিষ্ঠার সঙ্গে নিরলস ভাবে (দায়িত্ব পালন) জনসেবা করে  আসছেন। পৌরবাসীর অভিমত, পৌর এলাকায় আমিনের জনপ্রিয়তা বর্তমান মেয়র গোলাম রাব্বানী ও তার ঘনিষ্ঠ সহচর সাইদুর রহমানের থেকে অনেক বেশী। যে কারণে তাদের নেপথ্যে মদদে মেয়র পন্থী বলে পরিচিত বিএনপি-জামাত  ও কমিউনিষ্ট পার্টির অনুগত একশ্রেণীর জনবিচ্ছিন্ন বিতর্কিতরা আমিনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। এদিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী  ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, আপমর জনগোষ্ঠী এবং পৌর এলাকার সাধারণ খেটে খাওয়া গরীব-দুঃখী অসহায় মানুষ  চাইনা আর কোনো রাজনৈতিক বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক মিরজাফর, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা এবং খন্দকার মোস্তাকের প্রেতাত্ত্বারা নেতৃত্বে  এসে পৌরসভাকে কুলষিত করুক।
তারা আর চাইনা সেই নেতৃত্ব  যেই নেতৃত্ব মেয়রের চেয়ারে বসে পৌর সভার টাকায় নিজ পৌরসভাকে উন্নয়ন বঞ্চিত রেখে তানোরের কন্দপুর, মালশিরা, ছাঐড় এবং গোদাগাড়ীর ললিতনগর, আইহাইরাহী, কাঁকনহাট ইত্যাদি এলাকায় লোক দেখানো উন্নয়নের নামে নিজের স্বার্থ হাসিলে লোপাট করেছে।#

Check Also

পত্নীতলায় ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় প্রাণে রক্ষা পেল বিদ্যুৎ কর্মী

শামীম আক্তার চৌধুরি প্রিন্স, পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃ পত্নীতলায় বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করতে গিয়ে পল্লী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *