চলতি আইপিএলে জয়ের মুখ দেখলো হায়দরাবাদ

এমনটা নয় যে, হাতে বড় রানের পুঁজি ছিল। বরং সতর্ক ব্যাটিংয়ে ছন্দে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট ঝুলিয়ে দিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। পরে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দিল্লির তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপকে বেঁধে রেখে চলতি আইপিএলে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিল ওয়ার্নার বাহিনী।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে সানরাইজার্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১৬২ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দিল্লি নির্ধারিত ২০ ওভার ৬ উইকেটে ১৪৭ রানে আটকে যায়। ১৫ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জেতে হায়দরাবাদ।

আইপিএলের শেষ দু’টি ম্যাচের গতিপ্রকৃতি দেখে ২০০ রানের লক্ষ্যামাত্রাও নিরাপদ নয় বলে মনে হওয়াই স্বাভাবিক। তা সত্ত্বেও আবু ধাবির এই পিচে বড় রান তোলা মুশকিল, এটা বুঝতে অসুবিধা হয়নি সানরাইজার্স অধিনায়কের। তাই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ঝুঁকি না নিয়ে ধীরে সুস্থে নিজেদের ইনিংস গড়ে তোলেন ওয়ার্নাররা।

ওয়ার্নারের ৪৫ ও বেয়ারস্টোর ৫৩ রানের ইনিংস দু’টি সানরাইজার্সের ভিত গড়ে দেয়। কেন উইলিয়ামসন ৪১ রানের আগ্রাসী ইনিংসে হায়দরাবাদকে দেড়শো রানের গণ্ডি পার করান। অভিষেককারী আব্দুল সামাদ একটি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ৭ বলে ১২ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন।

কাগিসো রাবাদা ও অমিত মিশ্র ২টি করে উইকেট দখল করেন। রাবাদা এই নিয়ে আইপিএলের ১০টি ম্যাচে ২টি বা তারও বেশি উইকেট সংগ্রহ করলেন।

দিল্লির হয়ে শিখর ধাওয়ান সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন। ঋষভ পান্ত আউট হন ২৮ রান করে। এছাড়া হেটমায়ের ২১, শ্রেয়াস ১৭ ও রাবাদা অপরাজিত ১৫ রান করেন।

রশিদ খান ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট দখল করেন। দলের সেরা তিন ব্যাটসম্যান ধাওয়ান, শ্রেয়াস ও পান্তের উইকেট তুলে নিয়ে ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার জেতেন রশিদ।

ভুবনেশ্বর ৪ ওভারে ২৫ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট নেন। টি নটরাজন ৪ ওভারে ২৫ রান খরচ করে ১টি উইকেট তুলে নেন। ডেথ ওভারে নটরাজনের পরপর ইয়র্কার মন জিতে নেয় ক্রিকেটপ্রেমীদের।

Check Also

শততম টি-টোয়েন্টিতেও জিতল বাংলাদেশ

হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *