সাভার উপজেলাতে পল্লি বিদ‍্যুৎ এর নতুন প্রিপেড মিটার স্থাপন হলেও চলছে মিটারে অর্থ চুরির ভেলকিবাজি

 

সাভার ব‍্যুরো চীফ রিপোর্টার সাভার ঢাকা থেকে কে,এম,তোফাজ্জেল হোসেন জুয়েল ## সাভার উপজেলার পল্লীবিদ‍্যুতের কিছু দুর্নীতি অনিয়ম বেড়েছে ভৌতিক বিল ও নিজেস্ব টাকা দিয়ে মিটার ক্রয় করা সত্ত্বেও প্রতি মাসে গ্রহকদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে মিটার চার্জ ডিমান্ট চার্জ ভ‍্যাট রিবেট বাবদ ১০০০ টাকায় প্রতি রিচার্জে ২০০ টাকা । অথচ গ্রাহক নিজের জায়গায় বিদ্যুৎ খুটি লাগিয়ে পল্লী বিদ‍্যুৎ বছরের পর বছর ব্যবসা করে যাচ্ছে সেটার চার্জ কিন্তু গ্রাহক পাচ্ছে না এতে গ্রহকের জমির ক্ষতি হচ্ছে যাদের ফসলি জমি তাদেরও ব্যপক ক্ষতি হচ্ছে পাড়ছেনা জমির উপরে বহুতলা বাড়ি ঘড় তৈরি করতে ।

১৯৮.৫৯ টাকা বিলের মধ্যে ৪৬ টাকাই অতিরিক্ত ডিমান্ড চার্জ ১২০ টাকা, মিটার ভাড়া ৪০ টাকা এবং ভ্যাট৪৭.৬২ টাকা,রেবিট ৯.০.৩ টাকা মোট ১৯৮.৫৯ টাকা। প্রতি মাসে ৪০ টাকা করে মিটার ভাড়া নেওয়া হয় সাভার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডিং এর অনেক বাড়ি বাড়ি রিডিং না দেখে গ্রাহকদের পল্লী বিদ্যুৎ নিজের মতো করে মনগড়া বিদ্যুৎ বিল করেছে। সাভার নামা গেন্ডার এক বাসিন্দার প্রতি মাসে বিল আসে ৬০০/ ৮০০ টাকা। কিন্তু করোনার এপ্রিল/ মে মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১৭০০ টাকা। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার ৮ দিন পর জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩৬০০ টাকা। যা দেখে মাথায় হাত ঐ বাসিন্দার। সাভার নামা গেন্ডার খোকন মিয়া প্রতিমাসে বিল আসে তার ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা কিন্তু গত মে মাসে বিল এসেছে ৩০০০ টাকা, খোকন মিয়া পল্লী বিদ্যুতের অফিসে গেলে কর্মকর্তারা বলেন এই মাসের বিল দিয়ে দেন আগামীতে এডজাস্ট করে দেব!

পল্লী বিদ্যুৎ-এর সাব জোনাল অফিসে গড়ে উঠেছে এক বিশাল দালাল চক্র। অফিসগুলোতে দালাল ব্যাতিত কোন আবেদন গ্রহন করা হয় না। জনসাধারনের কোন সেবা পেতে হলে দালালদের নিকট শরনাপন্ন হতে হয়। যেখানে একটি আবাসিক নতুন সংযোগ নিতে গেলে সমস্ত খরচ সহ বাংলাদেশ সরকারের বিধি অনুযায়ী খরচ হবার কথা ৬১৫ টাকা। কিন্তু খরচ হয় ছয় হাজার টাকা। জোনাল এবং সাব জোনাল অফিসে স্টাফদের তুলনায় দালালদের সংখ‍্যা বেশী।

১২ জুন শুক্রবার পূর্ব ঘোষণা দিয়ে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ভোর ৬টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত টানা ৫ ঘণ্টা পুরো শহরে বন্ধ ছিল বিদ্যুৎ সরবরাহ। কিন্তু পরদিনই শনিবার সকাল ৯টা হতে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবার টানা তিন ঘণ্টা পুরো শহরে বন্ধ ছিল বিদ্যুৎ। এছাড়া প্রতিদিনই গড়ে ৩/৪ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে। ফলে বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে জন-জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়।

সাভার উপজেলার এই উপ-কেন্দ্রটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রায়ই প্রায়ই ঘটে ফলে প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠে জন-জীবন। এছাড়া বিদ্যুৎ বন্ধের কারণে সরকারি হাসপাতাল, বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকসহ অন্যান্য সেবা কেন্দ্রেগুলোতেও স্বাস্থ্য সেবা মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যুৎ গ্রাহক সাইফুর রহমান জানান, বিদ্যুতের অভাবে ওভারহেড ট্যাংকে পানি উঠাতে না পারায় হাইরাইজ বিল্ডিংসহ শহরের বসবাসরত মানুষ আছেন চরম দুর্ভোগে। এছাড়া হাজার হাজার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরাও পড়েন বিপাকে। এই গ্রিড উপকেন্দ্রটিতে বার বার আগুন লাগার বিষয়টিকে গ্রাহকরা দুষছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের অদক্ষতা, উদাসীনতা ও অবহেলাকেই। প্রতি বছরই বিপুল টাকা ব্যয়ে গ্রিড উপ-কেন্দ্রের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ-বাবদ কি কাজ সম্পন্ন করা হয় তা নিয়েও বিদ্যুৎ গ্রাহকসহ জনমনে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

ওয়েস্ট পাওয়ার জোন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) সাভারের নির্বাহী প্রকৌশলী রক্ষণাবেক্ষণের কাজসহ যান্ত্রিক টিপের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ মাঝে মাঝে বন্ধ হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে সাভার উপজেলার প্রতিটা ঘড়ে ঘড়ে প্রিপেইড মিটারের সংযোগ দিলেও থামছেনা ভৌতিক বিলের ভলকিবাজি রিচার্ড করলেই কেটে নেওয়া হচ্ছে ১০০০ টাকায় ২০০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ এটা বন্ধ না হলে সাভার উপজেলার সাধারণ জনগন অচিরেই এর আশু পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন করবেন সংবাদ সম্মেলন। কঠিন ভাবে আন্দলনের ভেতর দিয়ে ভৌতিক বিদ‍্যুৎ বিল বন্ধের দাবি ও প্রতিবাদ সমাবেশ করবেন বলে জানিয়েছের এই এলাকার ভূক্তভোগী পল্লী বিদ‍্যুৎ গ্রাহকরা।

Check Also

উপবৃত্তির টাকা আতœসাতের ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে উপবৃত্তির টাকা আতœসাতের অভিযোগে কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *