অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসকের বিরুদ্ধে জামেয়া অদূদিয়া মাদ্রসার সহকারী অধ্যাপক কর্তৃক মিথ্যা অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,

তাং ২/১০/২০ইং।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী সদরে অবস্হিত জামেয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাজিল মাদ্রসার সহকারী অধ্যপক মীর আবুল বশর সিদ্দিকী ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ঢাকা বরাবরে ২৮ সেপ্টেম্বর’২০ইং মিথ্যা অভিযোগ প্রদান করে। দীর্ঘ দিন যাবত গর্ভনিংবডি লোকাল সভাপতি ও একটি চক্রের দ্বারা মাদ্রসার শিক্ষকদের উপর নির্যাতন, বেআইনি ভাবে বেতন ভাতা বন্ধ করা, দূর্নীতি, লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে একাধিক সরকারী তদন্তে প্রমানিত দেখা যায়। দূর্নীতিসহ বিভিন্ন অনিয়ম, মাদ্রসার প্রসাশনিক ও একাডেমিক বিশৃঙ্খলার কারণে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় মাদ্রসার গর্ভনিংবডির সভাপতি প্রফেসর আহমদ হোসেনকে সভাপতি পদের মনোনয়ন বাতিল করে আতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (সার্বিক),চট্টগ্রামকে মাদ্রসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি হিসাবে ১৯ জুলাই,২০ইং ইসলামী আারবি বিশ্ববিদ্যালয় মনোনয়ন প্রদান দিয়ে অফিস আদেশ জারি করেন। মাদ্রসার সহকারী অধ্যপক মীর আবুল বশর সিদ্দীকে শিক্ষামন্ত্রণালয় কর্তৃক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব থেকে অপসারণ ও উপাধ্যক্ষ জাকের আমহদকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব হস্হান্তরের আদেশ এবং তাঁর বিরুদ্ধে দূর্নীতি, শিক্ষক নির্যাতন, স্বেচ্ছারিতা, প্রতিষ্টানের ফান্ডের টাকা অত্মসাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক সরকারী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ফলে ১৮ই আগষ্ট, ২০ইং অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক চট্টগ্রাম ও মাদ্রসার গভর্নিং বডির সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এর দায়িত্ব কে পালন করবেন স্পষ্টকরনের অনুরোধ জানিয়ে ইসলামি আরবি বিশ্ব বিদ্যালয়ের রেজিস্টার বরাবরে পত্র প্ররেণ করেন। ইতিমধ্যে সহকারী অধ্যাপক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দাবিদার মীর আবুল বশর সিদ্দীকি গভর্নিং বডির সভাপতির অজান্তে সভাপতির পদ গ্রহন করছেন না মর্মে সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর’২০ ইং ইসলামি আারবি বিশ্ববিলয়ের ভিসি বরাবরে আবেদন করেন। অথচ অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (সার্বিক),চট্টগ্রাম মাদ্রসাটির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহন করে ১৮ আগষ্ট’২০ইং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বরাবরে পত্র প্রেরনের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেন। অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (সার্বিক) ও গভর্নিং বডির সভাপতি সম্পর্কে মীর আবুল বশর সিদ্দীকি কর্তৃক মিথ্যা তথ্য প্রদান ও অপপ্রচার করায় মাদ্রসার শিক্ষকগন আবুল বশর সিদ্দীকীর বিরুদ্ধে আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্তা গ্রহন এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) চট্টগ্রাম ও গর্ভনিংবডির সভাপতি কর্তৃক ১৮আগষ্ট ‘২০ইং ইসলামি আারবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বরাবরে অনুরোধ পত্রটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য আবেদন করেন। উল্লখ্য যে মীর আবুল বশর সিদ্দীকীর বিরুদ্ধে ২০০৬ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত শ্রম ভিসা নিয়ে নিয়মিত শিক্ষক হওয়া সত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে চাকুরী করেন এবং সাবেক অধ্যক্ষ ও গর্ভনিংবডির কতিপয় সদস্যের সহায়তায় নিয়মিত ভাবে এমপিও বাবদ সরকারী বেতন ভাতা ও মাদ্রসার নামে ভুয়া রসিদ বই ছাঁপিয়ে চাঁদা উত্তোলন করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপতৎপরতায় লিপ্ত বলে অভিযোগ রয়েছে।

Check Also

ঢাবি উপ-উপাচার্য করোনায় আক্রান্ত

ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল করোনা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *