৫ দফা বন্যা, সোসা ইঁদুরের উপদ্রুপ এবং অজানা রোগে দিশেহারা পলাশবাড়ী উপজেলার কৃষকেরা

বায়েজীদ (গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি) :

পলাশবাড়ীতে টানা বর্ষণ ও বন্যায় কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ।
চলতি বছরের ৫ দফা ভয়াবহ বন্যায় পলাশবাড়ী উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ৮ টি ইউনিয়নে কৃষি
খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কৃষকরা কখনও ভাবতেও পারেননি বন্যা এত দীর্ঘমেয়াদি হবে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন
আমন চাষিরা। মাঠ ভরা সবুজের সমাহার দেখে মাস দেড়েক পরেই গোলায় নতুন ধান তোলার স্বপ্ন
ভেঙ্গে দিয়েছে টানা বর্ষণ ও বন্যার পানি। যদিও বন্যার ধকল কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো অনেক কস্টকর।
তবুও চেস্টা অব্যাহত রেখেছেন চাষিরা।
পলাশবাড়ী উপজেলার হাজার হাজার বিঘা জমির আমনের ক্ষেতের ধান গাছ পচে গেছে।
অনেক কৃষক পড়ে যাওয়া পানির নিচে ডুবে থাকা আধাঁ ফুলা ধান গাছ কেটে এনে বাজারে গো খাদ্য
হিসেবে বিক্রি করছেন।
কোন কোন কৃষক পচে যাওয়া ধান গাছ পরিস্কার করছেন নতুন করে চাষবাস করার জন্য।
অরপদিকে ধানক্ষেতে ব্যাপকভাবে ইঁদুরের উপদ্রুপ ও অজানা রোগ এবং ব্র্যাস্ট রোগে কৃষকেরা
দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
এতে করে আমন ধানের ফলন বিপযয়ের আশংকা করছেন কৃষকেরা। কৃষকেরা বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি
ব্যবহার করে ইঁদুর দমনে আসছে না। এব্যাপারে উপজেলার কৃষকেরা কৃষি অফিসের কোন পরামর্শ বা
সহযোগিতাও পাচ্ছেন না।
এদিকে অজানা রোগে ধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হওয়ায় কৃষকেরা আরো বেশি ক্ষতির সম্মুখিন
হচ্ছেন। পৌরসভার হরিণমাড়ী গ্রামের কৃষক মিঠু মিয়া দুই বিঘা ও একই গ্রামের সাজেদুরের দুই বিঘা
জমিতে অজানা রোগ দেখা দেওয়ায় ধানের গাছ জমিতেই শুকিয়ে নস্ট হয়ে যায়। যেকারণে তাদের জমির
ধান জমিতেই নস্ট হয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস কিংবা উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কোন
পরামর্শ তারা পাননি।
এটি পৌরসভার হরিণমাড়ী গ্রামের শফির জমি থেকে উঠানো ছবি। সমদ্রে নিম্নচাপের কারণে বৃস্টি
আর বাতাসে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে উপজেলার কৃষকের স্বপ্ন। বাতাসে অর্ধ পাকা ধান মাটিতে পড়ে
গেছে হাজার হাজার কৃষকের। এতে আরো বেশি বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কৃষকেরা।

Check Also

শ্রমিকদের জন্য রোববার দুপুর পর্যন্ত চলবে বাস ও লঞ্চ

গার্মেন্টসহ কলকারখানা শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে রোববার (১ আগস্ট) দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *