বিরামপুরে প্রাণী সম্পদ অফিসারের অবহেলায় ৩০ লক্ষ্য টাকার মুলাের খামারীর মুরগী ধ্বংস

রেজওয়ান আলী,বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুরের বিরামপুরে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসারের অবহেলার কারণে এক মুরগী খামারির ৩০ লক্ষ্য টাকার মুরগী মারা যাওয়ার সংবাদ খামারীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। জানা যায় ২৮শে অক্টোবর ২০২০ইং তারিখ শনিবার বিরামপুর পৌরসভার মাহমুদপুরে মুরগীর খামারে গত রাত আনুমানিক ৯-৯ঃ৩০ ঘটিকার সময়ে মুরগী গুলো মরতে আরম্ভ করেন। এমন অবস্থায় মুরগী খামারি তৎক্ষনাৎ উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসারের নিকট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সহযোগিতা চাইলে তিনি রাতের বেলার অজুহাতে উপস্থিত হয় নাই,ফলে এমন দূর্ঘটনা ঘটে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবেদক ঘটনা স্হলে উপস্থিত হলে খামারের মধ্যে অনেক মুরগী মরে পড়ে থাকা দেখা যায়। ২-১টি হাটা চলা করছে কিন্তু একটু পর পর মুরগী গুলো পড়ে পড়ে মারা যাওয়ার নির্মম চিত্র অবলোকন করা যায়। এ বিষয়ে মুরগী খামারের মালিক আলম হোসেন জানান,আমি এই ঘটনার পূর্বেও অনেক ক্ষতির মধ্যে থেকেও টিকে আছি। কিন্তু অদ্য আজকেই কিছু সময়ের মধ্যে মুরগী ভাইরাস সংক্রমণে মারা যায়। তিনি আরও জানান আজকের মুরগী গুলো মারা যাওয়ার পূর্বেই উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসারকে অবগত করেছিলাম,কিন্তু তারা আমার কথায় কোন প্রকার কর্ণপাত করেন নাই। তিনি আরও বলেন আমি কয়েক দিন পূর্বে প্রাণী সম্পদ অফিসে গিয়ে মুরগীর টিকার ব্যবস্হার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি তারা আমাকে কোন প্রকার সহযোগিতা করেন নাই। প্রাণী সম্পদ অফিসারের দ্বায়িত্বের অবহেলায় আমার এমন বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন,আমি কিছু দিন পূর্বে এমন ক্ষতির সমূর্খিন হয়েছিলাম কিন্তু উপজেলা অন্তরালের কোন ব্যাংকে ঋন প্রদানের ব্যবস্হা গ্রহণ করেন নাই। এখন আমার ব্যবসা ধ্বংসের পথে কি করে পূনরায় এই ব্যবসা দাঁড় করাবো এমনই আর্তনাথ খামারির। তিনি আরও বলেন এই ব্যবসাটি চালু করেছি এলাকার অনেক বেকার যুবকের কর্ম সংস্হানের ব্যবস্হা হয়েছে। এখন তাদেরকে কোথায় রাখব,
এ বিষয়ে কর্মচারীদের নিকট জানা যায় যে,তারা বলেন আমরা এতদিন বেকার ছিলাম এই মুরগী খামারে চাকরি করে আমাদের সংসার চলতো। এত বড় ধঁরণের ক্ষতির মহুর্তে আমরা কোথায় যাব,আমাদের মালিক তো এখন আর্থিক সংকটে পড়েছে। আমাদের দাবী আমাদের চাকরী বহাল রাখার জন্য স্হানীয় প্রশাসন সরকারি ভাবে আমাদের মালিক কে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করার জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসারের নিকট মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমি কি বলব আমাদের ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলেন বলে ফোন কেটে দেয়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকারের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি একটু আগে জানতে পেরেছি,আগামীকাল আমার সাথে খামারি মালিক কে সাক্ষাৎ করতে বলেছি দেখি কথা বলি এমন উক্তি প্রকাশ করেন মর্মে জানা যায়।

Check Also

রাজারহাটে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ঘর পাচ্ছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী খলিল

এ.এস.লিমন,রাজারহাট(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: তাং: ১৭-০৯-২১ইং। বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগের সহযোগিতায় এবং কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ বিভাগের উদ্যোগে ঘর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *