জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ দিনের স্মৃতি সংরক্ষণ করবে সরকার

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যারা এখনো জীবিত তাদের সবার যুদ্ধ দিনের স্মৃতি শোনা এবং তা সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মোট জীবিত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা এক লাখ ২০ হাজার। তাদের সবার পাঁচ মিনিটের বক্তব্য সংরক্ষণ করা হবে।

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জানান, বীরের কণ্ঠে বীরগাথা নামে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে আগামী জানুয়ারি থেকে। শেষ হবে ২০২২ সালের শেষ নাগাদ।

দেশের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের যে অবদান তা ইতিহাসে সংরক্ষণ করতেই এই উদ্যোগ। একাত্তরের পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরোচিত লড়াই বাঙালির গর্বের অধ্যায়। দেশমাতৃকার জন্য জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন যুদ্ধে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বেঁচে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা এক লাখ ২০ হাজার। তাদের অনেকের যুদ্ধদিনের স্মৃতি শোনা হয়েছে নানা আয়োজনে। তবে এখনো অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন, যারা রয়ে গেছেন আড়ালে। তাদের যুদ্ধকালীন গল্প শোনা হয়নি কখনো।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ইতিহাসের স্বার্থেই মুক্তিযোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা শোনা জরুরি। যে মুক্তিযোদ্ধারা এখনো বেঁচে আছেন, তাদের কাছ থেকে ইতিহাসের গল্প শোনা ও তা সংরক্ষণের কাজ শুরু করেছেন তারা। এজন্য মুক্তিযোদ্ধাদের কোথাও যেতে হবে না।

মন্ত্রণালয় থেকেই তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গল্প সংগ্রহ করা হবে। প্রাথমিকভাবেই এই প্রকল্পের জন্য ৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামী মাসেই এর কাজ শুরু হবে। সব মুক্তিযোদ্ধার প্রতি সম্মান জানাতে এবং তাদের প্রতি জাতির যে ঋণ তা সামান্য হলেও শোধের দায় থেকেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

Check Also

বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জ সদর ও খাউলিয়া ইউনিয়ন সীমান্তবর্তী জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ

  এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির :বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ সদর ও খাউলিয়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ব্রীজের সংযোগ স্ল্যব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *