স্থবরি ফোরলনে: ভোগান্ততিে গাইবান্ধার লাখো মানুষ

 

বায়জেীদ (গাইবান্ধা জলো প্রতনিধি)ি :

মোড়ে মোড়ে র্দীঘ যানজটে থমেে থমেে চলছে যানবাহন। যতটুকু পথে গাড়ীর চাকা ঘোর-ে সটোও আবার
লাফয়িে লাফয়ি।ে আধাঘন্টা পড়েয়িে গলেওে শষে হয়না দশ মনিটিরে পথ। অফসি-আদালত কংিবা
হাসপাতালরে পথে বড়িম্বনার শষে নইে পথচারীদরে। রাজধানী কংিবা ব্যস্ততম কোনো নগরী নয়, এই চত্রি
মফস্বল শহর গাইবান্ধার।
শহরজুড়ে পৌরবাসী ও পথচারীদরে র্দূদশার জন্য শহররে ডবিি রোডে চলমান ফোরলনে প্রকল্পসহ পৌর
এলাকার পাড়ায় পাড়ায় চলমান রাস্তা ও ড্রনেরে উন্নয়নমুলক কাজরে ধীরগতকিে দায়ী করছনে অনকে।
প্রায় দু’বছর ধরে চলছে শহররে ফোরলনে প্রকল্পরে কাজ।
গাইবান্ধা সড়ক বভিাগ জানায়, আড়াই কলিোমটিার ফোর লনেরে মধ্যে দুই বছরে শষে করা সম্ভব হয়ছেে
আধা কলিোমটিার সড়করে কাজ। এক কলিোমটিারে অধগ্রিহন করা ভুমি থকেে উচ্ছদে র্কাযক্রম শষে
হয়ছেে সম্প্রত।ি ফলে নর্মিাণ কাজে এখনো হাত দতিে পারনেি ঠকিাদারী প্রতষ্ঠিান। বাকী এক
কলিোমটিার রাস্তার কাজে অন্তরায় হয়ে আছে ভুমরি মালকিানা দাবকিারীদরে করা মামলাজনতি কারন।ে
জমরি মালকিানা নয়িে ঝুলে থাকা একটি মামলা শষে না হতইে উচ্চ আদালতে আরো ষোলটি রটি হয়ছেে ।
আদালতরে আদশে না পাওয়া র্পযন্ত ওই এক কলিোমটিার অংশে কাজ শুরু করার কোন সম্ভাবনাই দখেছে
না সড়ক বভিাগ। সবমলিয়িে নানা জটলিতার কবলে প্রতক্ষিতি ফোরলনে যনে শহরবাসীর গলার কাটা হয়ে
দাড়য়িছে।ে অল্প কছিু সময় শহরে অবস্থান করলইে দখো যায় পথচারীদরে র্দূভােগ-র্দুদশা আর ভোগান্ত।ি
সোমবার (০৭ ডসিম্বের) ঘড়রি কাটায় সময় তখন বলো ১১টা। শহররে পুরাতন বাজার থকেে রক্সিায় যাত্রা
ডসিি অফসিরে উদ্দশ্যে।ে রক্সিায় ওঠার পর থকেইে লাফয়িে লাফয়িে চলছলি রক্সিার চাকা। খানাখন্দে
ভরা ডবিি রোডরে প্রায় পুরো রাস্তাজুড়ে র্কাপটেংি উঠে ছোট বড় অসংখ্য র্গতরে সৃষ্টি হয়ছে।ে কাচারী
বাজার, রলেগটে এলাকায় ড্রনেরে জন্য র্গত করা হয়ছে।ে ফলে রাস্তা সংকোচতি হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।
ডবিি রোড ধরে হর্কাস র্মাকটে, বাসর্টামনিাল পার হয়ে ডসিি অফসি র্পযন্ত রকিশা ধরে যতেে দশ
মনিটিরে পথে সময় লগেে যায় ২৭ মনিটি।
পথচারী সোনয়িা পারভীন আক্ষপে করে বললনে, রাস্তা দয়িে হাঁটা অসহনীয় এবং ঝুকপর্িুন। একদকিে
যানজটরে র্দুভােগ, অন্যদকিে ধুলোবালতিে পথ চলা দায় এছাড়া নয়িম নীতরি তোয়াক্কা না করে
যানবাহনগুলো চলছে খয়োল খুশি মতন। ফলে হাটাচলা হয়ে উঠছে ঝুকপর্িুন। ভ্যানচালক মলেন বলনে,
ভাঙাচোরা সড়করে জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল নওেয়া সম্ভব হয় না। তাছাড়া অতরিক্তি ঝাকুনতিে ভ্যানও
ক্ষতগ্রিস্ত হয়। পটেরে দায়ে বাধ্য হয়ে কষ্ট করইে ভাঙাচোরা রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছ।ে যানজট
নরিসন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গাইবান্ধাবাসীর স্বপ্ন ছলি ফোরলনে। কাজ শুরুর পর সবাই বশে
উচ্ছসতি ছলিো। কন্তিু উদ্বোধনরে পর প্রায় দুই বছর হলওে তমেন অগ্রগতি নইে। ফলে স্বপ্নরে
ফোরলনে এখন মানুষরে চরম র্দুভােগরে কারণ হয়ে দাড়য়িছে।ে

দ্রুত কাজ শষে করতে না পারলে চীনরে দুঃখ হোয়াংহোর মতো চার লনে সড়ক নর্মিাণ গাইবান্ধাবাসীর
দুঃখে পরণিত হব-ে বলছলিনে, বাংলাদশেরে কমউিনস্টি র্পাটরি (সপিবি)ি জলো সভাপতি ও কন্দ্রেীয়
কমটিরি প্রসেডিযি়াম সদস্য মহিরি ঘোষ।
২০১৮ সালরে ৮ নবম্বের শহরে আড়াই কলিোমটিার ফোরলনে প্রকল্পরে উদ্বোধন করনে জাতীয় সংসদরে
হুইপ ও গাইবান্ধা সদর আসনরে সংসদ সদস্য মাহাবুব আরা বগেম গনি।ি এ র্পযন্ত পুলশি সুপাররে
র্কাযালয় থকেে বাসর্টামনিাল র্পযন্ত মাত্র আধা কলিোমটিার সড়করে কাজ সমাপ্ত হয়ছে।ে রলেগটে
থকেে পুরাতন বাজার র্পযন্ত এক কলিোমটিার এলাকায় স্থাপনা, বদ্যৈুতকি খুটসিহ বভিন্নি সবো সংস্থার
সংযোগ লাইন উচ্ছদে করা হয়ছে-ে তবে এখনো নর্মিাণ কাজ শষে হয়ন।ি আড়াইকলিোমটিার ফোরলনেরে
মধ্যে বাকি এক কলিোমটিার বাস র্টামনিাল থকেে রলেগটে র্পযনত ফোরলনেরে কাজ ঝুলে আছে ভূমরি
মালকিানা সংক্রান্ত মামলা জটলিতায়।
গাইবান্ধা সড়ক বভিাগরে নর্বিাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান বলনে, ২০০২ সালে গাইবান্ধা শহররে বাস
র্টামনিাল থকেে রলেগটে র্পযনত সড়করে উভয় পাশে জমরি মালকিানা দাবী করে পলাশপাড়ার আব্দুর
রশদি, সাখাওয়াত, রাজ্জাকসহ কয়কেজন আদালতে মামলা করে একতরফা নষিধোঙ্গার রায় পান। অথচ
১৯৬৫-৬৬ সালে ভূমি অধগ্রিহণ করইে সড়ক নর্মিাণ করা হয়। পরর্বতীতে ওই রায়রে প্রক্ষেতিে ২০১৭
সালে আদালতে আরকেটি মামলা করা হলে সটেি রায়রে জন্য অপক্ষেমান আছ।ে কন্তিু আবারো একই
জমরি মালকিানা দাবী করে উচ্চ আদালতে ১৬টি রটি পটিশিন দায়রে করনে ওই এলাকার বাসন্দিারা।
তোফাজ্জল হক চৌধুরী, মুনজুরুল ইসলাম, রফকিুল ইসলাম, শরেনিা বানু, আফছার আলী সরকার, মমনিুল
ইসলাম মন্ডল, রওশন আকতার, সোহরা বানু, এ.ট.িএম রফকিুল ইসলাম, শালনিা খাতুন। এ প্রসঙ্গে
নাগরকি নতো আলমগীর কবীর বাদল বলনে,ন্যায্য অধকিার আদায়ে আইনরে আশ্রয় নবোর অধকিার
সকলরেই রয়ছে।ে তবে এটা দু:খজনক য,ে এলাকার মানুষরে সঠকি পদক্ষপে গ্রহন না করবার দরুনই এমন
একটি উন্নয়নমুলক কাজরে সুফল পতেে আমরা এলাকার মানুষই বাধা হয়ে দাড়য়িছে।ি
সময় ক্ষপেনরে দরুন সংশ্লষ্টি ঠকিাদারও কাজরে আগ্রহ হারয়িে ফলেছেনে। কারন সড়ক নর্মিান কাজরে
উপকরনরে মুল্য সময়রে সাথে ওঠানামা কর।ে ফলে কছিু কছিু উপকরন ক্রয়ে ঠকিাদারী প্রতষ্ঠিান
লোকসানে পড়তে চাননা। সসোথে র্দীঘসুত্রতিায় ব্যয়ও বৃদ্ধি পায়।
এই বষিয়গুলো সর্ম্পকে পরস্কিার ধারনা নইে এলাকাবাসীর। ফলে ঝমিয়িে পড়া ফোরলনেরে কাজ নয়িে
ক্ষোভসহ নানা ধরনরে মন্তব্য রয়ছেে জনমন।ে
তবে এত সব কছিুর পরও সব অন্তরায় কাটয়িে উঠে দ্রুত সম্পন্ন হবে ফোরলনে প্রকল্পরে কাজ,
এমনটাই প্রত্যাশা গাইবান্ধাবাসীর।

Check Also

তানোরে আমণখেতে পোকার আক্রমণ  দিশেহারা কৃষক

  তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি রাজশাহীর তানোরে বোরো মৌসুমে ধান ও খড়ের বাম্পার ফলন এবং ভাল দাম পেয়েছেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *