ভোটের বৈতরণী পার হতে গাইবান্ধার মেয়র প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ

বায়েজীদ (গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি) :

নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার অনেক আগে থেকেই প্রচারনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন গাইবান্ধা পৌরসভার
সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রত্যাশীরা। সে প্রচারনা আরও জোর পেয়েছে তফসিল ঘোষনার পর। এর আগে থেকে
মেয়র পদপ্রত্যাশী হিসেবে যুক্ত হয়ে ভোটের মাঠে সরব রয়েছেন এ্যাড.আহসানুল করিম লাছু, মোস্তাক
আহম্মেদ রঞ্জু, মতলুবর রহমান। নির্বাচনী হাওয়ার শুরু থেকেই তারা বিভিন্নভাবে জন সংযোগ চালিয়ে
আসছেন। পরবর্তীতে যুক্ত হয়েছেন পিয়ারুল ইসলাম, মীর্জা হাসান, শামসুুল আলম,ফারুক
আহম্মেদ,আনোয়ার উল সরোয়ার সাহিব।
ইতোমধ্যে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন বর্তমান
মেয়র এ্যাড.শাহ্ মাসুদ জাহাঙ্গীর মিলন, পিয়ারুল ইসলাম, এ্যাড.আহসানুল করিম লাছু, মতলুবর রহমান,
মোস্তাক আহম্মেদ রঞ্জু, ফারুক আহম্মেদ। এছাড়া দলের বাইরে থেকেও আওয়ামীলীগের মনোনয়ন
পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেউ কেউ। তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির তেমন তৎপরতা এখন পর্যন্ত
পরিলক্ষিত হয়নি।
গাইবান্ধা পৌরভার নির্বাচনে সরব প্রচারনায় রয়েছেন বর্তমান মেয়র, গাইবান্ধা পৌর আওয়ামীলীগের
সভাপতি, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি এ্যাড.শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর
মিলন। জেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি,
জেলা যুবলীগের সাবেক সহ সভাপতি এ্যাড.আহসানুল করিম লাছু, গাইবান্ধা পৌর আওয়ামীলীগের
সাংগঠনিক সম্পাদক,প্যানেল মেয়র মতলুবর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক, জেলা
ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোস্তাক আহম্মেদ রঞ্জু।
প্রচারনায় আরও রয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক
সাধারন সম্পাদক, সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান পিয়ারুল ইসলাম, সাবেক মেয়র শামসুল আলম,
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মীর্জা হাসান, আনোয়ার উল সরোয়ার সাহিব এবং সাবেক পৌর কাউন্সিলর
ফারুক আহম্মেদ। এছাড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় নিজের ছবি সম্বলিত ফেস্টুন টানিয়ে পৌরবাসির দোয়া
চেয়েছেন দু’একজন।
মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে পদপ্রত্যাশীরা দিনরাত এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। ছুটছেন ভোটারদের
বাড়ির দুয়ারে দুয়ারে। এলাকার উন্নয়ন আর জনতার কল্যাণের নানা প্রতিশ্রুতি শুনিয়ে মন জয় করবার
চেষ্টায় ব্যস্ত রয়েছেন তারা। বলতে গেলে, তারা প্রত্যেকেই জনগনকে দেয়া তাদের প্রতিশ্রুতি পুরণে বদ্ধ
পরিকর বলে প্রতীয়মান করবার সব রকম পদ্ধতি প্রয়োগে নিয়োজিত থাকছেন।
আর পদপ্রত্যাশীদের সমর্থকেরা ব্যস্ত নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর নামে অসংখ্য বিশেষন ব্যবহার
করে গুনগান প্রচারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে সেসব গুনগান ছড়িয়ে দিতে, প্রার্থীর

দিকে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষনে সদা তৎপর সমর্থকেরা। তাদের কাছে তাদের পছন্দের প্রার্থীই সেরা।
জনগন তাদের প্রার্থীকেই জয়ী করবেন বলে দাবি করে যাচ্ছেন সেই সমর্থকেরা।
নয়টি ওয়ার্ডের সাধারন কিছু সংখ্যক ভোটারসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের দাবি, উন্নয়ন
আর জনগণের কল্যাণ হবে প্রত্যাশা নিয়েই ভোট প্রয়োগ করা হয়। তবে বেশিরভাগ সময়ই জনগণের
আকাঙ্খার জায়গাটি অপুর্ন থেকে যায়। ভোট গ্রহন আর বিজয়ী হবার পরের চিত্র ভিন্ন হয়ে যায়। এমনটা
ভোটারসহ কারোরি কাম্য নয়।
তারপরেও পাঁচ বছর পরপর মানুষ নির্বাচনে পদ প্রত্যাশীদের প্রতিশ্রুতি মন দিয়ে শোনেন, বিশ্বাস নিয়ে
ভোট প্রয়োগও করেন। ভোট নাগরিক অধিকার, সেই সাথে যার যার পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থনের
অধিকারও। তাই প্রত্যেক ভোটারই চান, তার নিজ বিবেককে কাজে লাগিয়ে যোগ্য প্রার্থী খুজে নেবার।
বর্তমান মেয়র এ্যাড.শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন এবং মেয়র পদ প্রত্যাশীদের মধ্যে এ্যাড.
আহমানুল করিম লাছু, মতলুবর রহমান ও মোন্তাক আহম্মেদ রঞ্জু কথা বলেছেন পুনরায় মেয়র হতে
চাওয়া আর মেয়র হতে চাওয়া নিয়ে।
বর্তমান মেয়র ,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ,জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক,সাবেক সভাপতি
এ্যাড.শাহ্ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন বলেন, গত নির্বাচনে ভোটারদের যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে
নির্বাচিত হয়েছি। সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি তা পুরনের। যেসব উন্নয়ন এবং জনকল্যানে যে সেবা দিয়েছি,
তার সবই দৃশ্যমান। সকল প্রতিশ্রুতি পুরন না হওয়া নিয়ে তিনি বলেন, একটি পৌরসভার সব উন্নয়ন
সম্পন্নের জন্য পাঁচ বছর যথেষ্ট সময় নয়।
তারপরেও আমার চেষ্টার কোন কমতি ছিলনা। গত পাঁচ বছরে যতটুকু কাজ আমি করেছি, সে প্রত্যাশা থেকে
এবং যতটুকু পুরন সম্ভব হয়নি তা সম্পন্নের জন্যই আমি পুনরায় মেয়র প্রার্থী হতে আগ্রহী। পৌর
পার্কসহ নয়টি ওয়ার্ডেও প্রত্যেকটি সড়ক, ড্রেন নির্মানসহ বেশকিছু উন্নয়ন মুলক কাজ এবং করোনা
ও বন্যার সময় মানুষের পাশে সার্বক্ষনিক ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি আমার সকল
উন্নয়ন ও জনকল্যানমুলক কাজগুলোর কথা স্মরন করে ভোটাররা অবশ্যই আমাকে ভোট দিয়ে পুনরায়
নির্বাচিত করে অসম্পন্ন কাজগুলো সম্পন্ন করবার সুযোগ দেবেন।
প্যানেল মেয়র ও পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মতলুবর রহমান মেয়র প্রার্থী হওয়া নিয়ে বলেন,
আমার ওয়ার্ডের মানুষের সাথে কথা বললে যে কোন মানুষই বুঝতে পারবেন, আমি এলাকার মানুষের কতটা
কাছে থাকবার চেষ্টা করেছি। জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবার আগে থেকেই আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি
চেষ্টা করেছি সাধারন মানুষ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের পাশে থাকবার।
বৃহৎ পরিসরে উন্নয়ন করবার এবং মানুষের পাশে থাকবার লক্ষ্য নিয়ে মেয়র পদপ্রত্যাশী হয়েছি। কারন
কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেখেছি যে, সরাসরি কাজের সুযোগ এখানে নেই। উন্নয়ন বা
মানুষের কল্যানে যাই করতে চাননা কেন। তার জন্য মেয়রের ইচ্ছের উপর নির্ভর করতে হয়। সকলের
দোয়া ও সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হলে, মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে উন্নয়নমুলক কাজ হবে বলে জানান
তিনি।

এছাড়া আয় ব্যয়ের হিসাবসহ সকল কার্যক্রম পৌরসভার ওয়েবসাইটে থাকবে। পৌরসভার কার্যক্রম
মেয়রের একক ইচ্ছেয় নয় পরিষদের সদস্য ও পৌরবাসীর মতামত গ্রহনের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হবে।
সেবা পেতে পৌরসভার টেবিলে টেবিলে ঘুরে হয়রানী হতে হবেনা।
বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বার যে লক্ষ্য, তা
বাস্তবায়নে পৌরসভার সকল কার্যক্রম ওয়েবসাইটে লিপিবদ্ধ থাকবে। মানুষের যে কোন দাপ্তরিক
কাজের তথ্য ওয়েবসাইটে লিপিবদ্ধ থাকবে। থাকবে ২৪ ঘন্টার জন্য হট লাইন নাম্বার। যাতে করে
পৌরবাসি যে কোন প্রয়োজন জানাতে পারেন।
মোট কথা আধুনিক, আলোকিত, পরিচ্ছন্ন, জনবান্ধব, জবাবদিহিমুলক পৌরসভা গড়তে কাজ করে যাব বলে
জানান তিনি।
জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক,জেলা ছাক্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক পৌর
কাউন্সিলর মোস্তাক আহম্মেদ রঞ্জু বলেন, ছাত্র জীবন থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবার চেষ্টা
করে যাচ্ছি। ছাত্র রাজনীতি করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের অকুন্ঠ সমর্থন পেয়েছি। জেলা ছাত্রলীগের
সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবার সুযোগ হয়েছে। বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবকলীগের জেলা
সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছি।
ব্যবসা বানিজ্য করতে গিয়েও মানুষের ভালবাসায় চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহ সভাপতির
দায়িত্ব পেয়েছি। কাজ করবার চেষ্টা করেছি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। ফলে জেলা ক্রীড়া সংস্থার
সদস্য এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রবাহ ক্লাবের সাথে অতপ্রতভাবে যুক্ত রয়েছি। গত পৌর পরিষদে নয়
নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলাম।
পরেরবার নির্বাচিত হতে না পারলেও মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করিনি।এলাকার মানুষের সুখে দু:খে সব সময়
পাশে থেকেছি। কাজেই আমি বিশ্বাস করি জনগন আমার কর্মের প্রতি আস্থা রাখেন। করোনাকালে এবং
বন্যার সময়টাতে দিনরাত মানুষের পাশে থেকে সাধ্যমতন সহায়তা দেবার চেষ্টা করেছি। পৌরবাসীর
সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হতে পারলে জনকল্যানে নিয়োজিত তো থাকবই।
পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্র, ড্রেনেজ ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধানসহ প্রয়োজনীয় সকল রাস্তাঘাট নির্মানে
সচেষ্ট থাকব। পৌরবাসিকে মশার উৎপাতে অতিষ্ট হতে হবেনা। যথাসময়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন
করে পরিচ্ছন্ন পৌরসভা উপহার দিতে সক্ষম হব বলে আশা রাখি।
গাইবান্ধা জেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক,জেলা যুব লীগের সাবেক সহ সভাপতি,সদর
উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি এ্যাড.আহসানুল করিম লাছু বলেন, গত পাঁচ বছরে গাইবান্ধা
পৌরসভা একটি চরম অব্যবস্থাপনার প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। কাঙ্খিত উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবা
অপুরন থেকেছে।
অনেক এলাকায় হাঁটার মতন রাস্তা নেই। অনিয়মের মধ্য দিয়ে রিক্সা অটোরিক্সায় ভরিয়ে দিয়ে যানজটের
সড়কে পরিনত করা হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে এ শহর জলাবদ্ধতার শহরে পরিনত হয়। এসব থেকেই
উপলব্ধি করা যায় কতটা অবহেলা আর অনিয়মের মধ্য দিয়ে পৌরসভার কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

মানুষের দোয়া আর ভোটে মেয়র নির্বাচিত হলে গাইবান্ধা পৌরসভাকে দুর্নীতিমুক্ত, আলোকিত এবং
জনকল্যানে নিবেদিত পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করব বলে জানান তিনি। এ্যাড.লাছু
প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, পৌরবাসি আগামী নির্বাচনে নিশ্চই উন্নয়ন এবং জনকল্যানের বিষয় ভেবে
সঠিক মানুষকে বেছে নেবেন।

এদিকে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে গাইবান্ধা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেতেও নানা
ভাবে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন দলের মেয়র পদপ্রত্যাশীরা। এছাড়া দলের বাইরে থেকেও কেউ কেউ নৌকা
প্রতীক পেতে জোর তদবির চালাচ্ছেন। আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বোর্ডে উপস্থিত হয়ে সাক্ষাৎকার শেষে
হয়ত দু’একদিনের মধ্যেই জানা যাবে, কে হচ্ছেন নৌকার কান্ডারী।
প্রতীক পাওয়া নিয়েও ভোটের মাঠে ভেসে বেড়াচ্ছে ব্যাপক গুঞ্জন। যার যার সমর্থকেরা সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমসহ ভোটের বাজারে নানা আওয়াজ দিচ্ছেন। কেউ বলছেন আমাদের ভাই এগিয়ে আছেন,
কেউ বলছেন ভাইয়ের বিকল্প নেই, কেউবা বলছেন নেত্রী ভাইকে ছাড়া আর কাকে দেবেন ! আর অনেকে
গুনে যাচ্ছেন সময়। কোন মুহুর্তে পছন্দের প্রার্থীর নাম ঘোষিত হবে নৌকার কান্ডারী হিসেবে।
তবে প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে সাধারন ভোটাররা বলছেন, দল তাদের পছন্দের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকেই
মনোনয়ন দেবে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সাধারন ভোটাররাও তা দেখে, বুঝে বেছে নেবেন । ভোটারদের মনে
কতটুকু অবস্থান করে নিতে পেরেছেন পদপ্রত্যাশীরা তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ১৬ জানুয়ারী
পর্যন্ত। আর নিজেদের করা গুনগান ও জনগনকে দেয়া প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়ন হচ্ছে তা দেখবার
জন্য আগামী পাঁচ বছর তো পড়েই থাকছে।

Check Also

রৌমারীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ।। আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে ৪২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি।। 

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ রৌমারী উপজেলায় ব্রম্মপুত্র নদের কিনার থেকে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে  ড্রেজার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *