পাকিস্তানের ৫ সেকেন্ডের ভিডিও সাড়া জাগালো ভারতেও

পাঁচ সেকেন্ডের একটি ভিডিও। সেখানে ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের একদল তরুণ-তরুণীকে গাড়ি থামিয়ে আনন্দ করতে দেখা গেছে। ডানানির মবিন নামে এক তরুণী ওই দলের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন, ‘এটি আমাদের গাড়ি। এই হচ্ছি আমরা। আমরা এখানে পাওয়ার্টি (পার্টি) করছি।’

বিবিসির আজ শুক্রবারের খবরে জানা যায়, ৬ ফেব্রুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আপ করা এই ভিডিওটি ভারত ও পাকিস্তানের ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় গোলাগুলি ও উত্তেজনা চলে প্রায়ই। সেখানে এমন আনন্দঘন পরিবেশে পার্টি করার দৃশ্য ও ডানানিরের দেওয়া বর্ণনা সাড়া ফেলেছে অনেকের মধ্যে। রাতারাতি ভারত-পাকিস্তান দুই দেশেই তারকা বনে গেছেন তিনি।

ডানানির মবিন একজন ভিডিও ক্রিয়েটর। ইনস্টাগ্রামের বায়োগ্রাফি অনুযায়ী ডানানির মবিনের বয়স ১৯ বছর। পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলের শহর পেশোয়ারে থাকেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে তিনি নিজেকে জিনা বলে ডাকতে আহ্বান জানিয়েছেন। সাধারণত ফ্যাশন ও মেকআপ নিয়েই পোস্ট দেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বিবিসি উর্দুকে তিনি বলেন, সীমান্তে যখন দুই দেশের মধ্যে এত উত্তেজনা চলে, তখন এমন আনন্দ আর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশের দৃশ্যের চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে। ভিডিওটি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও ব্যাপক সাড়া ফেলায় খুবই আনন্দিত হয়েছেন বলে জানান ডানানির। তিনি বলেন, এই ভিডিওর কারণে প্রতিবেশী ভারতীয়রাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে পার্টি করার আবহে রয়েছেন।

ছুটিতে ওই দলের সঙ্গে ডানানির পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানেই এই ভিডিও করেন তিনি। দলের বেশির ভাগই ছিল প্রবাসে থাকা পাকিস্তানের নাগরিক। পাকিস্তানের যেসব নাগরিক প্রবাসে কাজ করেন অথবা পড়েন, তাঁদের অভিজাত অর্থে ‘বার্গার’ নামে ডাকা হয়। পাকিস্তানে প্রথম প্রথম স্থানীয় খাবার কাবাবের তুলনায় বার্গার বেশ দামি খাবার ছিল। তাই প্রবাসীদের এমন নামে ডাকা হয়। তাঁরা সাধারণত আমেরিকান অথবা ব্রিটিশ উচ্চারণে ইংরেজি বলেন। ডানানির বলেছেন, সে রকম উচ্চারণেই মজা করে তিনি ভিডিওতে ‘পার্টির’ বদলে ‘পাওয়ার্টি’ বলেন।

বিজ্ঞাপন

Check Also

করোনায় মোদির আসনের ভয়াবহ অবস্থা উঠে এলো

ভারতে এখন কোভিডের যে তাণ্ডব চলছে, তার অন্যতম প্রধান শিকার হিন্দু তীর্থস্থান বারাণসী এবং তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *