রাজধনীতে চলছে ৫থেকে ৭ হাজার টাকায় ঝমঝমাট স্বামী বাণিজ্য!

শুধু মে’য়েরাই এই এসকর্ট বি’জ’নেসে চালিয়ে যা’চ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরু’ষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে।স’মাজ বি’জ্ঞানীরা বলছেন, এসকর্ট বি’জ’নেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মে’য়েরা আগে পেটে’র দা’য়ে আসলেও,(ভিডিওটি দেখতে নিচের ছবির উপর ক্লিক করুন)

এখন আসে স্রেফ উ’চ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জ’ন্য।ঢাকার উত্তরা’য় এরকম কিছু ফ্ল্যাটে’র সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে “স্বা’মী স্ত্রী” উভ’য়েই এসকর্ট বি’জ’নেসের সা’থে জড়িত।

বিক্রি হচ্ছে পুরু’ষত্ব- ক’লগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এসকর্টে’র খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই।

বেশিরভাগ স’ময় এইস’ব ছেলেরা পুরু’ষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বি’জ’নেস’ম্যানদের স্ত্রীদের কাছে। কিংবা সেই সক’ল ম’হিলা যারা উ’দ্যম জীবন যাপনে অ’ভ্যস্ত।ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বি’জ’নেস কিংবা ক’ল গার্ল নামে যে কা’লচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লি’ডিং পজিশনে আ’ছে নামী দামি ভার্সিটির উ’চ্চ শিক্ষিত মে’য়েরা।

স্বা’মী বাইরের লো’ককে ডেকে এনে স্ত্রী’র ঘ’রে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নি’রাপ’দে এরকম বি’জ’নেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল। যেহেতু হোটেল বি’জ’নেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মা’নুষের চোখের আড়ালে খুব

স’হজেই বি’জ’নেস চা’লানো স’হজ ছিল।লক্ষ্যনীয় বি’ষয় এই যে, ভার্সিটির এই ছেলে মে’য়েগুলো’কে কখনোই আ’পনি ধরা পড়তে দেখবেন না।

ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মে’য়েটা, কিংবা কোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মে’য়ে।

অনলাই’ন এবং অফলাই’ন স’ব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সা’থে বি’জ’নেস করে। উচু লেভেলের ক’লগার্লের নামের তালিকা ঘাটলে অনেক মডেলকেও পাওয়া যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উ’চ্চ শিক্ষিত মেধাবী মা’নুষ বের হওয়ার ক’থা,

তখন সেখান থেকে বের হয় উ’চ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মে’য়ে উভ’য়েই)।

এসকর্ট বি’জ’নেসের স’ঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জা’নায়, একজ’ন স্ত্রী তার স্বা’মীর ক’থায় আরেকজ’ন পুরু’ষের সা’থে বি’ছানা শেয়ার করতে সানন্দে রা’জি হয়ে যা’চ্ছে। বিনিময়ে শ’রীর বিক্রি করে স্মা’র্ট ফোন,

ল্যাপটপও আ’দায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে।যে লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে একজ’ন না’রী বিবাহিত জীবনে অ’সুখী অনেকগুলো স্বপ্নের জা’ল বুনে একজ’ন না’রী স্বা’মীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা।

আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজ’ন বিবাহিত না’রী সুখে নেই।প্রথমেই বলা যাক ঘুমের ক’থা।উইমেনস হেলথ একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সে’ল একটি বি’শেষ গবেষণার প’র এ ক’থা ব’লেন যে, সুখী বিবাহিত না’রীরা অ’সুখী না’রীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন।

বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কা’টবে এমনটাই কমনা থাকে স’বার তবে স’ব আশা স’বার পুর্ন হয়না। তাই বি’য়ের প’রও দুঃখী থেকে যায় কিছু না’রী।আ’পনি যদি একজ’ন বিবাহিত না’রী হয়ে থাকনে এবং আ’পনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধ’রে নিন আ’পনাকে উদ্দেশ্য করেই। আসলে একটা স’ময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পা’রিনা। আমরা কি আসলেই ভা’লো আ’ছি কিনা তাও বুঝিনা।

হতে পারে আ’পনার স্বা’মী শহরের বাইরে আ’ছেন কিংবা আ’পনার আ’পনার স’ন্তা’নের অ’সুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজ’ন বিবাহিত না’রী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অ’সুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দ’খল করে নেয়।একজ’ন অ’সুখী বিবাহিত না’রীর দ্বি’তীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালেফোর্নিয়ার একটি গবেষণায় এ ক’থা বলা হয় একজ’ন সুখী বিবাহিত না’রী সংসারের যে কোন ঝা’মেলা সামলে উঠেও ক্লান্ত হন না, বরং বেশ ভা’লোবেসেই কাজগুলো করেন।

যেখানে একজ’ন অ’সুখী না’রী সাং’সারিক জীবন নিয়ে যথেষ্ট ক্লান্তিভাব পোষণ করেন এবং নিজেকে প’রিবর্তনও করতে নারা’জ থাকেন।একজ’ন বিবাহিত না’রীর আবেগ, চাওয়া পাওয়া থাকে তার স্বা’মীকে ঘিরে। সেই স্বা’মী যখন অবহেলা করেন কিংবা স্ত্রীকে বুঝতে চেষ্টা করেন না তখন সে না’রী হয়ে উঠেন একজ’ন অ’সুখী না’রী।

নিশ্চয়ই এটি একজ’ন অ’সুখী বিবাহিত না’রীর খুব বড় একটি লক্ষণ। দূরত্বের কারন স্বা’মী হতে পারে আবার স্ত্রীও হতে পারে। হয়ত স্বা’মী তার স্ত্রী’র প্র’তি স’ম্মা’ন হা’রিয়ে ফে’লে কিংবা স্ত্রী তার স্বা’মীর প্র’তি বিশ্বা’স হা’রিয়ে ফে’লে।বি’য়ে একটি বড় ধরণের সামাজিক স’ম্প’র্ক।

আর বি’য়ে প’রবর্তী স’ময়ে সুখী থাকতে চাওয়াটা যে কোন না’রীরই কা’ম্য। তাই, উপ’রের লক্ষণ গুলোর একটিও যদি আ’পনার মনের জা’নালায় উঁকি দেয় আজই আ’পনার স্বা’মীর সা’থে খোলাখুলি আলোচনা করে স’ব ঠিক করে নিন আর সুখী বিবাহিত জীবনযাপন করুন।

বর্তমা’ন স’মাজে দেখা যায় ঠিক এ কারনেই অনেক না’রী বিবাহ ব’হির্ভূত স’ম্প’র্কে জড়িয়ে পড়েন এবং নিজের ইচ্ছে বা চা’হিদা পূরণের চেষ্টা করে থাকেন। যেকোন স’ম্প’র্কেই দূরত্ব জিনিস’টা ক্ষ’তির কারন হয়ে দাঁড়ায়। না, এই দূরত্ব কোন বাহ্যিক দূরত্ব নয়। মনের দূরত্বের ক’থা বলছিলাম। অনেক বিবাহিত দ’ম্পতির ক্ষেত্রেই দেখা যায় চার দেয়ালের মাঝে দিনের প’র দিন থাকার প’রও তারা একে অ’প’রের চেয়ে বেশ দূরে।

Check Also

করোনায় মোদির আসনের ভয়াবহ অবস্থা উঠে এলো

ভারতে এখন কোভিডের যে তাণ্ডব চলছে, তার অন্যতম প্রধান শিকার হিন্দু তীর্থস্থান বারাণসী এবং তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *